Header Ads

গলা ছেড়ে চিৎকার ভালো থাকতে


করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আরোপ করা হয় কঠোর লকডাউন। ওই দেশগুলোর মধ্যে ইসরায়েল একটি। নিষেধাজ্ঞার কারণে দীর্ঘদিন ঘরে থাকতে থাকতে একেবারে দম বন্ধ হওয়ার অবস্থা। তাই মানসিক প্রশান্তির জন্য বিশেষ একটি পথ বেছে নিয়েছেন কিছু ইসরায়েলি। তাঁদের কাজ একসঙ্গে গলা ছেড়ে চিৎকার করা। এতে মানসিক চাপ কমানোর পাশাপাশি নিজেদের মধ্যে দেখা-সাক্ষাতের সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেছেন আয়োজকেরা।করোনা সংক্রমণের হালনাগাদ তথ্য প্রকাশকারী ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারসের তথ্যমতে, ৯৩ লাখের মতো জনসংখ্যার দেশ ইসরায়েলে গতকাল মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত করোনা শনাক্তের সংখ্যা ৭ লাখ ছাড়িয়েছে। মারা গেছেন ৫ হাজারের বেশি। এরই মধ্যে দেশটিতে করোনার গণটিকা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। অনেকেই আশা করছেন, এই টিকা কর্মসূচি দেশটির সংক্রমণের ঢেউ কমাবে এবং মানুষের জীবনমান স্বাভাবিক হবে।

দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর পদত্যাগের দাবিতে মানুষ যখন রাজপথে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন, তখন করোনাকালের বিষাদময় স্মৃতি ভোলানোর কাজে নেমে পড়েছেন একদল মানুষ। ১০ জনের এই দলের সদস্যের বেশির ভাগই জ্যেষ্ঠ নাগরিক। দলটির নেতৃত্বে রয়েছেন মেরি পেরি। তিনি বলেন, ‘আমরা মিলিত হয়ে একসঙ্গে চিৎকারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যাতে আমরা আমাদের অতীতের খারাপ স্মৃতিগুলো থেকে বেরিয়ে আসতে পারি।’

একসঙ্গে চেঁচানোর জন্য তাঁরা কখনো পাহাড়ের চূড়ায় ওঠেন, আবার কখনো মিলিত হন কমলার বাগানে। মেরি পেরি আরও বলেন, ‘আমরা যখন একসঙ্গে হয়ে এটা করি, তখন সেটা প্রার্থনার মতো মনে হয় এবং ঈশ্বর সম্ভবত আমাদের কথা শুনবেন এবং এই কোভিড-১৯-এর অভিশাপ থেকে আমাদের মুক্তি দেবেন।’

ওই ব্যক্তিরা খুব কাছাকাছি দাঁড়িয়ে এবং মাস্ক খুলে দলবদ্ধভাবে চেঁচানো শুরু করেন। তাঁদের এই ব্যতিক্রম কাজটি পথচারীদেরও মনোযোগ আকর্ষণ করে।এভাবে এক জায়গায় হাজির হয়ে চেঁচানোর কাজে কোনো স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখছেন না আয়োজকেরা। তাঁদের একজন বলেন, দলের প্রত্যেকে হয় ইতিমধ্যে কোভিড-১৯ রোগ থেকে সেরে উঠেছেন, না হয় টিকা নিয়েছেন। ফলে তাঁদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তেমন নেই।

Powered by Blogger.