Header Ads

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাঁটি মাটির নিচে


উপসাগরীয় অঞ্চলে ভূগর্ভে ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি উদ্বোধন করেছে ইরানের বিশেষ বাহিনী রেভল্যুশনারি গার্ডস। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই শুক্রবার এ ঘাঁটি উদ্বোধনের কথা জানা গেল।

 ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে একটি ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি উদ্বোধন করেছে। তবে ঘাঁটিটির সুনির্দিষ্ট অবস্থান নিশ্চিত করা হয়নি।

রেভল্যুশনারি গার্ডসের প্রধান মেজর জেনারেল হোসেইন সালামিকে উদ্ধৃত করে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ‘নৌবাহিনীর কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণের ঘাঁটিগুলোর মধ্যে এটি একটি। সেখানে রাখা ক্ষেপণাস্ত্রগুলো শত শত কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম এবং এর ধ্বংসক্ষমতা অনেক বেশি। শত্রুপক্ষের অত্যাধুনিক যুদ্ধ–সরঞ্জামকে এড়িয়ে আঘাত হানতে পারে এটি।’

গত বছর রেভল্যুশনারি গার্ডসের পক্ষ থেকে বলা হয়, ইরান উপসাগরীয় উপকূল বরাবর ভূগর্ভে ‘ক্ষেপণাস্ত্র শহর’ গড়ে তোলা হয়েছে। এটি ইরানের শত্রুদের জন্য ‘দুঃস্বপ্ন’।

উপসাগরে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস এবং ওই অঞ্চলে নিয়োজিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর মধ্যে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেশ কয়েকবার উত্তেজনা দেখা দেয়। সামরিক উত্তেজনার জন্য একে অপরের অভিযোগ করে আসছে দেশ দুটি।

২০১৫ সালে করা ইরানের সঙ্গে করা পরমাণু চুক্তি থেকে ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেয় দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। এরপর তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে উত্তেজনার পারদ বাড়ে। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে ইরানের সঙ্গে চুক্তিটি করে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের ছয় ক্ষমতাধর দেশ। যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া চুক্তিতে সই করে রাশিয়া, চীন, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানি। ওই চুক্তির মূল বিষয় ছিল ইরান নিজেদের পরমাণু কার্যক্রম সীমিত রাখবে এবং পারমাণবিক স্থাপনায় যেকোনো সময় আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের পরিদর্শনের সুযোগ দেবে। বিনিময়ে ইরানের ওপর থেকে অর্থনৈতিক অবরোধ তুলে নেবে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্ব।

Powered by Blogger.